তাজা খবর:

আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই পারে দেশকে সংকট থেকে উদ্ধার করতে : দুদু টানা ভারী বৃষ্টিতে আফ্রিকায় ভয়াবহ বন্যা, প্রাণ গেল শতাধিক মানুষের আমরা অবশ্যই নতুন বাংলাদেশের দিকে যেতে সক্ষম হব: আলী রীয়াজ টেকনাফে ‘বাংলা চ্যানেল’ পাড়ি দিলেন ৩৫ সাঁতারু Saturday, 17 January, 2026, at 6:24 PM

ENGLISH

রাজনীতি

ঢাকা কলেজের দুই ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে বিকাশ পরিবহনে চাঁদাবাজির অভিযোগ

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি :

প্রকাশ : 07 ডিসেম্বর 2025, রবিবার, সময় : 00:51, পঠিত 397 বার

ঢাকা কলেজ শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নোমান আলম মুন ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ রানার বিরুদ্ধে বিকাশ পরিবহন থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র দাবি করেছে, প্রতি মাসে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত তাদের কাছে পৌঁছায় এবং এই লেনদেন পুরোপুরি ব্যক্তিগতভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।
বিকাশ পরিবহনের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নতুন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে পুরো লেনদেন পরিচালনা করেন পরিবহনের ডিরেক্টর ম্যানেজিং রুবেল। তিনি শ্রমিক অধিকার পরিষদের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক এবং রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে পরিবহনের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
যোগাযোগ করা হলে রুবেল প্রথমে কোনো ধরনের চাঁদা লেনদেনের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে প্রমাণস্বরূপ একটি ভিডিওর কথা উল্লেখ করলে তিনি বক্তব্য বদলে বলেন, “ঢাকা কলেজ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নোমান আলম মুন আমার কাছে ২৯ হাজার টাকা পেত। আমি সেই টাকা পরিশোধ করেছি, এবং এটি মাসিক ভিত্তিতেই দেওয়া হতো।” এরপর আর ফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করা হলে নোমান আলম মুন বলেন, “রুবেল আমাদের সাংগঠনিক মানুষ, শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে সাহায্য করতেই পারে। এটিকে চাঁদাবাজি বলা যাবে না।” তিনি আরও দাবি করেন, পরিবহন খাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের লোকজন, মালিক পক্ষ ও অন্যান্য সংগঠনের মাধ্যমে অনৈতিক লেনদেন বহুদিন ধরেই চলে আসছে—এটি নতুন নয়।
তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমাদের সংগঠনের নিজস্ব ফান্ড আছে, আর শুভাকাঙ্ক্ষীরা নিয়মিত সহযোগিতা করেন—যেমনটি অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের ক্ষেত্রেও হয়।”
সরকারি এক তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ঢাকা শহরের ৫৩টি পরিবহন টার্মিনাল ও স্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ২১ লাখ টাকা চাঁদা আদায় হয়। মাস শেষে এই অঙ্ক দাঁড়ায় ৬৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা, আর কখনো তা ৮০ কোটি টাকাও ছাড়িয়ে যায়।
অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় টোকেন ব্যবস্থার মাধ্যমে চাঁদা সংগ্রহ করা হতো, যা পরে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। সরকার পরিবর্তনের পর এই ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ দখল করে নেন স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। তাদের প্রভাবে ছাত্র সংগঠনগুলোকেও জড়িয়ে পড়তে দেখা যাচ্ছে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




রাজনীতি পাতার আরও খবর

  • সর্বশেষ সংবাদ

    সর্বাধিক পঠিত

    সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : প্ল্যানার্স টাওয়ার, ১০তলা, ১৩/এ বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড, বাংলামটর, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন: +৮৮-০২-৪১০৬৪১১১, ৪১০৬৪১১২, ৪১০৬৪১১৩, ৪১০৬৪১১৪, ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৯৬১১৬০৪, হটলাইন : +৮৮-০১৯২৬৬৬৭০০১-৩
    ই-মেইল : [email protected], [email protected] , Web : http://www.banglakhabor24.com